লোন ইএমআই ক্যালকুলেটর
গৃহঋণ, পার্সোনাল লোন বা গাড়ির ঋণের মাসিক কিস্তি কত, মোট সুদ কত, আর বছরে বছরে ঋণ কীভাবে কমে, হিসাব করুন।
মাসিক কিস্তি
৳১১,১২২
- ঋণের পরিমাণ
- ৳৫,০০,০০০
- মোট সুদ
- ৳১,৬৭,৩৩৩
- মোট পরিশোধ
- ৳৬,৬৭,৩৩৩
বছরভিত্তিক হিসাব
| বছর | পরিশোধিত সুদ | পরিশোধিত আসল | বাকি ঋণ |
|---|---|---|---|
| ১ | ৳৫৫,৮২২ | ৳৭৭,৬৪৫ | ৳৪,২২,৩৫৫ |
| ২ | ৳৪৫,৯৭৪ | ৳৮৭,৪৯২ | ৳৩,৩৪,৮৬২ |
| ৩ | ৳৩৪,৮৭৮ | ৳৯৮,৫৮৯ | ৳২,৩৬,২৭৪ |
| ৪ | ৳২২,৩৭৪ | ৳১,১১,০৯২ | ৳১,২৫,১৮১ |
| ৫ | ৳৮,২৮৫ | ৳১,২৫,১৮১ | ৳০ |
ইএমআই কীভাবে হিসাব হয়
ইএমআই (EMI, সমান মাসিক কিস্তি) হলো প্রতি মাসে একই অঙ্কের কিস্তি, যার ভেতরে সুদ ও আসল দুটোই থাকে। বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো মেয়াদি ঋণে সাধারণত হ্রাসমান স্থিতির ওপর সুদ ধরে: প্রতি মাসে যতটুকু ঋণ বাকি আছে শুধু তার ওপর সুদ। তাই শুরুর দিকের কিস্তির বড় অংশ যায় সুদে, আর শেষের দিকে বেশির ভাগ যায় আসল পরিশোধে।
EMI = P × r × (1 + r)n ÷ ((1 + r)n − 1)
এখানে P ঋণের পরিমাণ, r মাসিক সুদের হার (বার্ষিক হার ÷ ১২ ÷ ১০০), আর n মোট কিস্তির সংখ্যা।
কম সুদ দিতে চাইলে
মেয়াদ কমালে মাসিক কিস্তি বাড়ে, কিন্তু মোট সুদ অনেক কমে যায়। ওপরের সংখ্যাগুলো বদলে নিজেই দেখে নিন। আগাম পরিশোধ করলে সুদ আরও কমে, তবে অনেক ব্যাংক এর জন্য ফি নেয়, তাই চুক্তিতে শর্তটি দেখে নিন।
এটি আনুমানিক হিসাব, ব্যাংকের প্রস্তাব নয়।
প্রতিটি ব্যাংক নিজের নিয়মে দশমিক মেলায়, ফি নেয় ও কিস্তির তারিখ ঠিক করে, তাই চুক্তির অঙ্ক কিছুটা আলাদা হতে পারে। সই করার আগে ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব চেয়ে নিন।